বিমানবন্দরের লাগেজ কর্মীরা এখন আগের চেয়ে সতর্ক: ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ
বিমানবন্দরের লাগেজ কর্মীরা এখন আগের চেয়ে আরও সতর্ক ও আন্তরিকভাবে লাগেজ ব্যবস্থাপনা করছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ।শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট একথা জানান তিনি।তার পোস্টটি জাগোনিউজের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-বিমানবন্দরের লাগেজ কর্মীগণ এখন আগের চেয়ে আরো সতর্ক ও আন্তরিক ভাবে লাগেজ ব্যবস্থাপনা করছেন বলে বিগত কিছু দিনে আমার কাছে মনে হয়েছে।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি, নতুন জনবল প্রাপ্তি, সামর্থের অতিরিক্ত ওভারটাইম হ্রাস, বিশেষ প্রচেষ্টা এবং সরাসরি লাগেজ ব্যবস্থাপনা সম্প্রচার এক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছে। লাগেজ ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশে দুটি প্রতিষ্ঠান করে থাকে।১/ ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স শুধুই তাদের নিজস্ব বিমানের লাগেজ নিজেরা ব্যবস্থাপনা করে থাকে এবং ২/ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার হিসেবে বাকি সকল এয়ারলাইন্সের লাগেজ ব্যবস্থাপনা করে থাকে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স।চাহিদার চেয়ে বেশ কম সংখ্যক লোক নিয়ে বাংলাদেশ বিমান এই সেবা দিয়ে আসছে।
বিগত কিছু দিনে কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই জনবল ঘাটতি কিছুটা পূরণ হয়েছে। বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ শেষে কিছুদিনের মধ্যেই আরও একটি নতুন লাগেজ হেলপার গ্রুপ যোগদান করবেন।লাগেজ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় অবশিষ্ট জনবল দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে, যা শীঘ্রই বাস্তবায়ন হবে বলে প্রত্যাশা করছি।ইতোমধ্যে বিমান যাত্রা শেষে লাগেজ পেতে আগের চেয়ে তুলনামুলক একটু হলেও কম সময় লাগছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।তৃতীয় টার্মিনাল ডিসেম্বর মাসে উদ্বোধনের পর এই সময় আরও কমে আসবে। সরাসরি মনিটরিং, কেন্দ্রীয় ও নিয়মিত সমন্বয়ের মাধ্যমে লাগেজ ব্যবস্থাপনাকারীদের আন্তরিকতা ও বিশেষ প্রচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্মানিত প্রবাসী ও যাত্রীদের লাগেজ নিরাপদ, আন্তরিক ও সম্মানজনকভাবে ব্যবস্থাপনা করার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।আশা করি সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই আন্তরিকতা ও সকলের সহায়তায় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলারসহ সমগ্র টিম এয়ারপোর্ট মানুষের আস্থা অর্জন করবে ও সেই আস্থা ধরে রাখবে।হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংক্রান্ত আপনার কোনো অভিযোগ, পরামর্শ বা মতামত জানাতে হট লাইন ১৩৬০০(২৪/৭) নাম্বারে ফোন দিতে পারেন ।লাগেজ বা অন্য কিছু মিসিং বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে lost and found শাখায় জানাবেন।আপনার লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স এর কাছে অভিযোগ জানাবেন। কোথাও যথাযথ সেবা না পেলে বা হয়রানির শিকার হলে বিমানবন্দরের এক নম্বর টার্মিনালের ০১ নং গেট সংলগ্ন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সরাসরি আপনার অভিযোগ জানাতে পারবেন।ভালো থাকুক টিম এয়ারপোর্ট।ভালো রাখুক টিম এয়ারপোর্ট।ভালো থাকুক বাংলাদেশের মানুষ।ভালো থাকুক আমাদের বাংলাদেশ।

অনলাইন ডেস্ক